পাইকগাছায় দূর্ঘটনা প্রতিরোধে নির্মিত ¯প্রীড ব্রেকারে দূর্ঘটনা বাড়ানোর আশংকা; অপসরণের দাবী
পাইকগাছার আগড়ঘাটা স্কুলের সামনে বাজারের মেইন সড়কের উপর অপরিকল্পিতভাবে ¯প্রীড ব্রেকার নির্মাণ করায় দূর্ঘটনা কমার চেয়ে দূর্ঘটনা বাড়বে বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী। নিয়মনীতি ও অনুমতি ছাড়াই আগড়ঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিমেন্ট বালি দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে ¯প্রীড ব্রেকার নির্মাণ করছে। দূর্ঘটনা প্রতিরোধে নির্মিত ¯প্রীড ব্রেকারে দূর্ঘটনা বাড়ার আশংকা থাকায় ¯প্রীড ব্রেকারটি অপসরণের দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।
জানাগেছে, ১ এপ্রিল আগড়ঘাটা বাজারে স্কুল গেইটের সামনে সিমেন্ট বালি দিয়ে রাস্তার উপরে ¯প্রীড ব্রেকার নির্মাণ কাজ শুরু করে। যা রাস্তা এক পাশের অংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ¯প্রীড ব্রেকারটি প্রায় ৩ ফুট চওড়া ও উচ্চতা প্রায় ১ ফুট হবে। ছোট যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুকি মুখে পড়বে। উক্ত অংশ ইট দিয়ে ঘিরে রাখা যানবাহন চলাচলে বিঘিœত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আগড়ঘাটা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, স্কুল কমিটি ¯প্রীড ব্রেকারটি তৈরী করছে। এটি বেশ চওড়া ও উঁচু। মটর সাইকেল চালকরা এখানে দূর্ঘটনা কবলিত হতে পারে বলে তারা আশংকা করছে। বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মোঃ রিপন হোসেন জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষ ¯প্রীড ব্রেকারটি নির্মাণ করছে। ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির মতামত নেইনি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী মোশারফ হোসেন জানান, ১ এপ্রিল স্কুল গেইটের সামনে মটর সাইকেলের একটি দূর্ঘটনা ঘটে। তাছাড়া গেইটের সামনে মাঝে মাঝে দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ কারণে স্কুলের অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ছাত্ররা ১ এপ্রিল সিমেন্ট বালি দিয়ে ¯প্রীড ব্রেকার নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। আমাকেও উক্ত কাজে তদারকি করার জন্য ডাকা হয়েছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপদের এসও রফিকুল ইসলাম জানান, এভাবে অপরিকল্পিতভাবে মেইন সড়কের উপর ¯প্রীড ব্রেকার নির্মাণের কোন নিয়ম নেই। আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ¯প্রীড ব্রেকারটি অপসরণ করে নেওয়ার জন্য বলেছি। দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য ¯প্রীড ব্রেকার প্রয়োজন হলে সড়ক ও জনপদের উদ্যোগে পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হোক এটা সকলেই চায়।
তবে দূর্ঘটনা রোধ করতে গিয়ে দূর্ঘটনা বাড়বে এমন ঝুকিপূর্ণ অপরিকল্পিত রোড ¯প্রীড ব্রেকার অপসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
