স্বরূপকাঠীতে আ’লীগের দুইগ্রুপের উত্তেজনা ॥ গ্রেফতার-৩
স্বরূপকাঠী উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের উত্তেজনায় উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শশাঙ্কর রঞ্জন সমদ্দার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রিপন ও বর্তমান ছাত্রলীগের সভাপতি রণি দত্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে দুই জনকে ছেড়ে দেয়া হয়।
বুধবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণপাড় বন্দরের তেতুলতলা এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের দুই গ্রুপের চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থল থেকে শশাঙ্কর রঞ্জন, রণিদত্ত এবং রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন। রাতে সাবেক এমপি অধ্যক্ষ শাহ্ আলমের জিম্মায় কৃষক লীগের সভাপতি শশাঙ্কর রঞ্জন সমদ্দার ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রণি দত্তকে ছেড়ে দেয়া হয়। শহিদুল ইসলাম রিপনকে ওয়ারেন্টের আসামি দেখিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে প্রেরণ করে।
কৃষক লীগের সভাপতি শশাঙ্কর রঞ্জন সমদ্দার অভিযোগ করে বলেন, ১লা আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে শোক র্যালী বের করার জন্য কৃষক লীগ, আওয়ামী যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ জড়ো হয়ে র্যালীর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এসময় হঠাৎ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে আমাকেসহ ছাত্রলীগের সভাপতি রণি দত্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে অনেক বকাঝকা করেন।
থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, শশাঙ্কর রঞ্জন সমদ্দারের কথাগুলো বানোয়াট। তারা গ্রুপিংজনিত কারণ নিয়ে ওখানে জড়ো হয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি করছিল। ঘটনাস্থলে আমি ফোর্স নিয়ে না গেলে বড় ধরনের রক্তপাতের ঘটনা ঘটতে পারত। তাৎক্ষনিক ঘটনা সামাল দিতে তাকেসহ ছাত্রলীগ নেতা রণিদত্তকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছি। এছাড়া গ্রেফতারকৃত শহিদুল ইসলাম রিপনকে ওয়ারেন্টের আসামী হিসেবে চালান করা হয়েছে।
