কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা ॥ দুষিত হচ্ছে পরিবেশ
বাগেরহাটের রামপালে মো. সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ চুল্লি তৈরি করে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই ব্যক্তিকে চুল্লিতে কাঠ পোড়ানো বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করলে ৬/৭ মাস চুল্লি বন্ধ থাকার পর তিনি আবারও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন।
উজলকুড় গ্রামের মৃত রুহল মোল্যার পুত্র বাদশা মোল্যা ৮ মাস পূর্বে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি জানান, একই গ্রামের মো. জবেদ আলীর ছেলে মো.সাইফুল ইসলাম আনুমানিক ৬ বছর আগে উজলকুড় গ্রামের ভোলা নদীর পাড়ে ৪ থেকে ৫টি কাঠ পোড়ানো চুল্লি তৈরি করেন। চুল্লিতে তিনি কাঠ পোড়ানোর ফলে ওই এলাকায় ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে ওই এলাকার জন জীবন ও গাছপালার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা এলাকায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখতে পান।
এ ব্যাপারে চুল্লির মালিক সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে অনুমোদন এনেই কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছি। তবে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের কপি দেখাতে পারেন নি।
চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কুমার পাল জানান, ওই ব্যক্তিকে নোটিশ করে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। এরপরও যদি সে নির্দেশ অমান্য করে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে তাহলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
