পাইকগাছার বাঁকা বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ
পাইকগাছার বাঁকা বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের জায়গা দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মন্দির কমিটি ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মন্দিরের জায়গা জবর দখল করে রাখায় যে কোন সময় এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনীতি হতে পারে বলে এলাকাবাসী ধারণা করছে।
মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় জমিদার বিপ্রদাশ খাসনবীস মন্দিরের অনুকূলে এক বিঘা ১০ শতক জমি দান করে যান। এরপর মন্দির কর্তৃপক্ষ ওই জমির তদারকি না করায় ১৯৬২ সালে মন্দিরের নামে ১৫ শতক জমি রেকর্ড হয়। সর্বশেষ জরীপে উক্ত মন্দিরের নামে ৪ শতক জমি রেকর্ড হয়েছে। উক্ত ৪ শতক জমির মধ্যে বাঁকা গ্রামের মৃত মোহন লাল হালদারের ছেলে দেবব্রত হালদার (ভোম্বল) দীর্ঘদিন যাবৎ চায়ের দোকান করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ চায়ের দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য দেবব্রতকে বার বার তাগেদা দিলেও সে কোন কথার তোয়াক্কা না করে ব্যবসা পরিচালনা করে চলেছে। এ ঘটনায় মন্দির কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সংসদ সদস্যের স্মরণাপন্ন হলে সংসদ সদস্য মন্দিরের জায়গা পরিদর্শন পূর্বক দেবব্রতকে তার চায়ের দোকান সরিয়ে নিতে বলে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকার বিশিষ্ট জনের উপস্থিতে মন্দিরের জায়গা নির্ধারণের জন্য আমিন দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এ সময় দেবব্রত হালদার ঈদের ৭ দিন পর তার দোকান সরিয়ে নেবে বলে লিখিত অঙ্গিকার পত্রে স্বাক্ষর করেন। নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও চায়ের দোকান সরিয়ে না নেওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকার শান্তি ও শৃংখলা বজায় রাখার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষ ও হিন্দু ধর্মালম্বীরা দেবব্রত হালদারের দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
