কচুয়ায় স্কুল ছাত্রী অপহরন মামলা করে বিপাকে পরিবার
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় স্কুল ছাত্রী অপহরণের মামলা করে এখন উল্টো বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারটি। মেয়েকে ফিরে পাওয়া তো দুরের কথা উল্টো মিথ্যা মামলায় একমাস জেল খেটে বের হলেন স্কুল ছাত্রীর অসহায় বাবা মো. কবির শিকদার।
মামলার বিবরণ ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কিসমত মালিপাটন গ্রামের দিনমজুর মো. কবির শিকদারের স্কুল পড়–য়া মেয়েকে ওই গ্রামের মাসুদ খান ওরফে কালা খানের ছেলে জুয়েল খান গত বছরের ৩ ডিসেম্বর অপহরণ করে নিয়ে যায়। এদিন ভোরে উক্ত মেয়েটি প্রাকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে এলে বখাটে জুয়েল খানসহ তার সঙ্গীয়রা মেয়েটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পড়ে অসহায় বাবা তার মেয়েকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঐ বছরের ১৫ ডিসেম্বর কচুয়া থানায় একটি মামলা করেন।
এরপরেই ভুক্তভোগী ওই পরিবারের উপর শুরু হয় মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের চাপ। এতেও মেয়েটির বাবা মেয়ে ফিরে পেতে অনড় থাকলে উল্টো মামলা দিয়ে কাবু করার জন্য আদালতের মাধ্যমে গত চলতি বছরের ১৫ মার্চ অপহরনকারী জুয়েলের ছোট ভাই কামরুল খান নিজের শরীরের অংশ নিজেরাই কেঁটে এবং বাদী হয়ে অসহায় মেয়েটির বাবা কবির শিকদার ও মেয়েটির মা শিপু বেগমকে আসামী করে একটি সাজানো মামলা করেন। ওই মামলায় প্রায় মাসখানেক জেল খেটে মেয়েটির বাবা কবির শিকদার জামিনে বের হন।
এদিকে, মামলা থেকে জামিনে বের হয়ে ওই অপহরনকারীদের উল্টো হুমকি ধামকিতে আতংকিত হয়ে পড়েছে অসহায় পরিবারটি।
এ বিষয়ে মো. কবির শিকদার বলেন, আমার স্কুল পড়–য়া মেয়েকে অপহরন করা হলেও তার উদ্ধার না করে উল্টো আমার নামে মামলা হয়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমি গরীব মানুষ বলে কি ন্যায় বিচার পাবোনা? তিনি তার মেয়েকে ফিরে পেতে ও ওই সন্ত্রাসী চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
