স্বরূপকাঠীতে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলায় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (৩৫) এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেশি আসলাম হোসেন নামে জনৈক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরে অভিযুক্ত মো. আলম মিয়া (৬০) এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে।
অভিযুক্ত মো. আলম মিয়া বরছাকাটি গ্রামের মৃত মো. মকবুল মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের বরছাকাঠী গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে এলাকাবাসীরা জানান, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ঐ তরণী প্রতিদিনের ন্যায় তার ঘরে শুয়েছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে প্রতিবেশী মো. আলম মিয়া পেছনের দরজা দিয়ে তার ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী ঐ তরুনীকে ধর্ষণ করেন। এ সময়ে ওই মেয়েটির ভাইয়ের বউ দেখে ফেললে তাকে কিল ঘুষি দিয়ে ধর্ষক পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ভুক্তভোগীর ভাইয়ের বউ ফারজানা আক্তার অভিযোগ করেন, আমার ননদ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তাই সব সময় চুপচাপ থাকে। ঘটনার সময় দুপুরে গোসল করতে যাই। এসময় ঘর ফাঁকা পেয়ে আমাদের প্রতিবেশী মো. আলম মিয়া আমার ননদের রুমে আসে। ঘরের ভিতরে ধস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে এগিয়ে গিয়ে দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখি। তাৎক্ষণিক চিৎকার দিলে আমার বড় জা’ এগিয়ে এলে তাকে (আলম) ঝাপটে ধরার চেষ্টা করে। এসময় আলম সজোরে আমাদের ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আলমের সাথে যোগাযোগের জন্য বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মুঠোফোনের কলও রিসিভ করেন নি। তবে অভিযুক্ত মো. আলমের স্ত্রী নুরজাহান বেগম জানান, এই মেয়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিকবার নালিশ এসেছে। আমি ওই বাড়িতে যাবার জন্য একাধিকবার বারণ করলেও তিনি (আলম) আমার কথা শুনতেন না। এখন এলাকাবাসীরা সবাই আমার স্বামীকে বাড়িতে খুঁজতে এসেছিলেন। তিনি দুপুরে বের হয়েছেন এখন পর্যন্ত বাসায় আসেননি।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন জানান, ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
