শিক্ষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া না হলেই সৃজনশীলতা তৈরি হবে
শিক্ষা ব্যবস্থা যদি বিনোদনমূলক হয়, জোর করে যদি চাপিয়ে দেওয়া না হয়, তাহলেই সৃজনশীলতা তৈরি হবে। পৃথিবীর সব জায়গায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাটা আনন্দময় করে তোলার চেষ্টা করা হয় এবং শিক্ষকরা তাই করছে।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফোরাম আয়োজিত ‘উন্নয়ন ও নির্বাচন শীর্ষক আলোচনা সভা’য় বক্তারা এ মন্তব্য করেন।
আলোচনাকালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘সব শিশুদের শিক্ষা আনন্দময় হওয়া উচিত। যদি বিনোদনমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা হয়, জোর করে যদি চাপিয়ে দেওয়া না হয়, তাহলেই সৃজনশীলতা তৈরি হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের জলোচ্ছ্বাস ছিল, আমাদের প্লাবন ছিল, তা আমরা দূর করেছি। আমাদের দারিদ্রতা ছিল, ক্ষুধায় মানুষ মারা যেত, আমরা ফসল ফলিয়ে সেখান থেকে মুক্ত হয়েছি। আমাদের ছিটমহলে সমস্যা ছিল, আমরা ভারতের সাথে দ্বন্দ্বে যাইনি, শান্তির মধ্য দিয়ে আমরা ছিটমহল সমস্যা সমাধান করেছি। আরেকটি বাংলাদেশের সমান সমুদ্র বিজয় করেছি, কেউ টেরও পায়নি। অথচ আমরা কোথাও কোন সংঘাতে যাইনি। আমরা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করেছি। ওটা শুধু সেতু নয়, ওটা বাংলাদেশ, আমাদের আত্মমর্যাদার প্রতীক।’
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা একে একে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় স্ট্যাবিলিটির জন্য যখন কাজ করছেন, ঠিক যখন আমরা স্ট্যাবিলিটি নিশ্চত করতে চাই, সেই সময় এই সব ষড়যন্ত্রকারীরা এক হয়ে প্রতিবার একটা ইন্সটেবল, কনফ্লেক্টিং সোসাইটি করতে চায়। মানুষ এখন গণতন্ত্র চায়। তার সামনে আপনারা যারা ষড়যন্ত্র করবেন, এটা সত্য যে তাদের বিলীন হতে হবে।’
সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রশীদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু ইউসুফ, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমূখ।
