শরণখোলায় স্টুডেন্ট কাউন্সিল হয়না ৯৫ ভাগ স্কুলে
কোমলমতি শিশুদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা ও মূলবোধ অব্যাহত রাখতে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠানের সরকারী নিয়ম থাকলেও জেলার শরণখোলায় অবস্থিত প্রায় ৯৫ ভাগ বিদ্যাপিঠের তা উপেক্ষিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এক প্রকার উদাসীনতার কারনে সরকারী এ নির্দেশ অকার্যকর রয়েছে বছরের পর বছর ধরে দেশের সর্ব দক্ষিনে অবস্থিত উপজেলার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্কুলগুলোতে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েক হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীকে পাঠ দানে কর্মরত রয়েছেন ৫ শতাধিক শিক্ষক। কর্ম ক্ষেত্রে ওই সকল শিক্ষকরা সরকারী শতভাগ সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন নিয়ে তাদের তেমন কোন মাথা ব্যাথা নেই।
তবে উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, ক্ষুদে শিশুদের নিয়ে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে আলাদা আলাদা কাউন্সিল গঠনের সরকারী বিধান আছে। অনেক সময় তা কাগজে কলমে দেখানো হয়ে থাকে। আবার অনেক স্কুলে যুগ যুগ ধরে আদৌ এ কাউন্সিল নির্বাচন হচ্ছে না। যার ফলে উপজেলার শতকরা ৯৫ ভাগ স্কুলের শিক্ষার্থীদের গনতান্ত্রিক চর্চার বিষয় কোন ধারনা নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা সদর ২১ নং রায়েন্দা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ছাইয়েদুল হক বলেন, শিশুদের মাঝে গনতান্ত্রিক চর্চা অব্যহত রাখতে তার বিদ্যালয়ে প্রতি বছর যথা নিয়মে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোন বিদ্যালয় প্রধানদের সরকারী এ নির্দেশনা ভঙ্গ করা ঠিক নয়।
অপরদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের জন্য বাধ্যতামূলক। এ নির্দেশনা পালনে কেউ অনিহা প্রকাশ করলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
