প্রধান সূচি

মঠবাড়িয়ায় সাংবাদিক কন্যা ঊর্মিকে ধর্ষণ শেষে হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সাংবাদিক কন্যা ৪র্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ঊর্মিকে (৯) ধর্ষণ শেষে নৃশংসভাবে হত্যাকারী ছগীর আকনের ফাঁসির দাবিতে এবং দেশের সকল ধর্ষকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বস্তরের জনসাধারণের আয়োজনে রবিবার দুপুরে মঠবাড়িয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ সড়কে এ মানববন্ধন পালিত হয়।
মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম আজাদীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান কবীর, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি জামাল এইচ আকন, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইসমাইল হোসেন হাওলাদার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলেট, চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের স্টাফ রিপোর্টার ইমন চৌধুরী, শিক্ষক প্রতিনিধি দোলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আসাদুজ্জামান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক সাইফুল ইসলাম, রাসেল রায়হান, ছাত্রদল নেতা রুবেল আহম্মেদ, ছাত্র প্রতিনিধি অব্দুল্লাহ আল অভি ও নিহত উর্মির বাবা সাংবাদিক জুলফিকার আমীন সোহেল। সভা সঞ্চালনা করেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন।
মানববন্ধনে বক্তারা সিরিয়াল কিলার ছগীরের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবী জানান এবং সারাদেশে ধর্ষকের পক্ষে কোন আইনজীবীকে আদালতে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২১ জুলাই বিকেলে ঊর্মি নিখোঁজ হয়। ২৩ জুলাই বাড়ি থেকে প্রায় ৬০০ গজ দূরে পরিত্যক্ত একটি বাগানের নালার মধ্য থেকে নিহত উর্মীর অর্ধগলিত ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ঊর্মির বাবা উপজেলার উত্তর বড় মাছুয়া গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক জুলফিকার আমীন সোহেল ওই বছরের ২৩ জুলাই মঠবাড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পুলিশ অধিকতর তদন্ত শেষে ছগীর আকন (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে এবং ছগীরকে একমাত্র আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করে পুলিশ চার্জসীট দেয়। ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় দায়ের হওয়া তন্নী আক্তারকে জবাই করে হত্যা মামলায়ও উক্ত ছগীরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। এছাড়াও ছগীরের বিরুদ্ধে একাধিক গরু জবাই করে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে। নিহত তন্নী সাংবাদিক সোহেলের প্রতিবেশী চাচাতো বোন। সিরিয়াল কিলার ছগীর উত্তর বড় মাছুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মৃত কুদ্দুস আকনের ছেলে। ছগীর বর্তমানে উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছে। ঊর্মি হত্যা মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial