প্রধান সূচি

স্বরূপকাঠীতে কৃষ্ণচূড়ার সাজে প্রকৃতিতে যেন আগুন জ্বলে

কৃষ্ণচূড়ার রঙ এ প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল রূপে। মনে হয় যেন প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়ার রঙয়ে আগুন জ্বলছে। যে দিখে চোখ যায় সবুজের মাঝে লালের মূর্ছনা, দু’চোখ জুড়িয়ে যায়।

জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলার থানা ব্রীজটির দু’পাশে সবুজের মধ্যে আবৃত আগুন ঝড়া কৃষ্ণচূড়ার রঙয়ে মাতোয়ারা হওয়ার মত। গ্রীষ্মের তপ্তরোদে কৃষ্ণচূড়ার আবীর নিয়ে ব্রীজটির উপরের প্রকৃতি সেজে উঠেছে অপরূপে। দেখলেই মনে হয় প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়ার রঙয়ে আগুন জ্বলছে। যে দিখে চোখ যায় সবুজের মাঝে লাল রঙয়ের মূর্ছনা। কৃষ্ণচূড়ার আড়ালে বসে ডাকা-ডাকি করে কাক ও শালিক।  বৈশাখ জৈষ্ঠ্যর কাঠ ফাটা রোদে ঘাম মাখা পথিককে মাঝে মধ্যে দেখা যায় তারই নিচে খানিকটা সময় বসে জুড়িয়ে নিচ্ছে দেহ মন।

সব মিলিয়ে জায়গাটির অপরূপ দৃশ্য যে কারো নজর কাড়ে। এমন চিত্রটি হল উপজেলার সন্ধ্যা নদীর শাখা শীতলা খালের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া থানা ব্রীজটির উপর। গ্রীষ্ম এলেই যেনো প্রকৃতির ভালোবাসার কথা জানান দিতে খালের উত্তর পাড়ের ব্রীজের দু’পাশে শাখা প্রশাখা মেলে দাড়ানো কৃষ্ণচূড়া গাছ দুটিতে হেঁসে উঠে নজরকাড়া এ ফুল। এ সৌন্দর্য যেন হার মানায় ঋতুরাজ বসন্তকেও।

সরেজমিনে উপজেলার স্বরূপকাঠি-পিরোজপুর সড়কে থানা ব্রীজটির উপরে গিয়ে দাড়ালে দেখা যায় এ সৌন্দর্য। ব্রীজটির দু’পাশে শাখা-প্রশাখা মেলা দুটি কৃষ্ণচূড়া গাছ। সবুজের মাঝে মাঝে সৌন্দর্য মেলে ফুটে আছে লাল রঙা কৃষ্ণচূড়া ফুল। বৈশাখের তপ্তরোদ থেকে নিজেকে লুকাতে ফুল ধরা গাছের শাখায় শাখায় বসে লাফা-লাফি ও ডাকা-ডাকি করছে কাক, শালিকসহ নানা প্রজাতির পাখি।

ব্রীজের পাশেই অবস্থিত খোলা আকাশের নিচে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ কাঠের বাজার। ভর দুপুরের তপ্তরোদে ব্যবসায়ীসহ কাঠের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা যখন ঘাম জড়ানো দেহে ওষ্ঠাগত হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই একটু শান্তির পরশ পেতে তারাও ছুটে আসে আগুন ঝড়া কৃষ্ণচূড়ার গাছের নিচে। ফুল ধরা সৌন্দর্য ছড়ানো এ গাছের নিচে ব্রীজের উপরে বসতে দেখা যায় দূর-দূরান্তের নানান পথিকদের।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial