পিরোজপুরে মহাশ্মশান কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেফতার-১
পিরোজপুর পৌরসভার মহাশ্মশান কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং মালামাল চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রদীপ কুমার আইচ (৪৮) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসভা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত প্রদীপ কুমার আইচ পিরোজপুর পৌরসবার ৪নং ওয়ার্ডের খুমুরিয়া এলাকার মৃত অনিল কুমার আইচের ছেলে।
মহাশ্মশান কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং মালামাল চুরির ঘটনায় দায়ের করা পিরোজপুর সদর থানার মামলায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে রাতে পিরোজপুর পৌর শ্মশানের কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। এসময় শ্মশান প্রাঙ্গণের কালী মন্দিরে থাকা শিবঠাকুরের প্রতিমা ভাংচুর, মহাদেবের মাথায় অগ্নিসংযোগ এবং মন্দিরে থাকা প্রণামীর প্রায় ৫ হাজার টাকা চুরি হয়। এছাড়াও সৎকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামালও নিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন ১ জুন সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিরোজপুর পুলিশ সুপার। এ ঘটনায় ঐ দিন একটি জিডি দায়েরের পর মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে মন্দিরের অস্থায়ী পুরোহিত পঙ্কজ তেওয়ারী বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে প্রদীপের সম্পৃক্ততা পেয়ে তাকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পিরোজপুর পৌরসভা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, পৌর শ্মশানের কালীমন্দিরে অগ্নিসংযোগ, প্রতিমা ভাংচুর ও মালামাল চুরির ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষে প্রদীপের সম্পৃক্ততা পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
