প্রধান সূচি

শিক্ষকবিহীন কক্ষ ও নিয়মবহির্ভ‚ত মেডিকেল সনদে পরীক্ষার সুযোগ

পিরোজপুর মহিলা কলেজে অনার্স পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ

পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজে চলমান অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকবিহীন কক্ষে পরীক্ষা গ্রহণ, বিধিবহির্ভ‚ত মেডিকেল সনদের ব্যবহার এবং প্রশাসনিক নজরদারির সম্পূর্ণ অভাব সব মিলিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৩ মে দুপুর আড়াইটার দিকে গণমাধ্যমকর্মীরা কলেজে গিয়ে দেখেন, একটি রুমে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের উপস্থিতি ছাড়াই কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন। ঘটনাস্থলে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী নুরুল ইসলাম জানান, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ৮ জন শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সরেজমিনে চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। পরীক্ষা কক্ষে কোনো শিক্ষক উপস্থিত না। মেডিকেল সনদ যাচাই করে দেখা যায়, ৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৩ জনের সনদ নিয়মানুযায়ী রয়েছে। বাকি ৫ জনের ক্ষেত্রে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এমনকি একজন পরীক্ষার্থীর আবেদনপত্রে নিজের স্বাক্ষর না থাকলেও তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
মেডিকেল সনদ প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. ইশতিয়াক জানান, তিনটি সনদের মধ্যে দুটি তার স্বাক্ষরিত, বাকি একটিতে তার স্বাক্ষর নয়, ওটা কেউ জালিয়াতি করেছে। তিনি আরও জানান, তিনি পরীক্ষার জন্য কোনো বিশেষ সনদ দেননি, শুধু সাধারণ অসুস্থতার উল্লেখ করে সনদ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে সনদের বৈধতা নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠেছে।
পিরোজপুর সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের অধীনে মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। ব্যক্তিগত চেম্বারের সনদের ভিত্তিতে এ ধরণের সুবিধা দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা সংক্রান্ত গঠিত কমিটির শিক্ষকরাই পরীক্ষার বিষয়গুলো দেখভাল করে থাকেন। তবে মেডিকেল সনদের বিষয়টি পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক তাকে জানান নি। এ বিষয়ে তিনি নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজে চলমান অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকবিহীন কক্ষে পরীক্ষা গ্রহণ, বিধিবহির্ভ‚ত মেডিকেল সনদের ব্যবহার এবং প্রশাসনিক নজরদারির সম্পূর্ণ অভাব সব মিলিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৩ মে দুপুর আড়াইটার দিকে গণমাধ্যমকর্মীরা কলেজে গিয়ে দেখেন, একটি রুমে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের উপস্থিতি ছাড়াই কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন। ঘটনাস্থলে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী নুরুল ইসলাম জানান, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ৮ জন শিক্ষার্থীকে আলাদা কক্ষে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তবে সরেজমিনে চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। পরীক্ষা কক্ষে কোনো শিক্ষক উপস্থিত না।
মেডিকেল সনদ যাচাই করে দেখা যায়, ৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৩ জনের সনদ নিয়মানুযায়ী রয়েছে। বাকি ৫ জনের ক্ষেত্রে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এমনকি একজন পরীক্ষার্থীর আবেদনপত্রে নিজের স্বাক্ষর না থাকলেও তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
মেডিকেল সনদ প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. ইশতিয়াক জানান, তিনটি সনদের মধ্যে দুটি তার স্বাক্ষরিত, বাকি একটিতে তার স্বাক্ষর নয়, ওটা কেউ জালিয়াতি করেছে। তিনি আরও জানান, তিনি পরীক্ষার জন্য কোনো বিশেষ সনদ দেননি, শুধু সাধারণ অসুস্থতার উল্লেখ করে সনদ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে সনদের বৈধতা নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠেছে।
পিরোজপুর সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের অধীনে মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। ব্যক্তিগত চেম্বারের সনদের ভিত্তিতে এ ধরণের সুবিধা দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা সংক্রান্ত গঠিত কমিটির শিক্ষকরাই পরীক্ষার বিষয়গুলো দেখভাল করে থাকেন। তবে মেডিকেল সনদের বিষয়টি পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক তাকে জানান নি। এ বিষয়ে তিনি নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial