প্রধান সূচি

চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ

দেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে কক্সবাজারে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের (কায়কোবাদ) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত করা হয়।
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় সেখানে আজ শুক্রবার ঈদ পালিত হয়।
এদিকে, সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে পিরোজপুরের কাউখালী, নাজিরপুর ও মঠবাড়িয়া উপজেলার ১০টি গ্রামে আজ শুক্রবার ঈদুল ফিতর পালন করা হয়েছে।
কাউখালী প্রতিনিধি রবিউল হাসান রবিন জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরের কাউখালীতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। উপজেলার শিয়ালকাঠী গ্রামে মোল্লাবাড়ি এলাকায় শুক্রবার সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাতের ইমামতি করেন মো. জহিরুল ইসলাম।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের এমন ধারা এক দশক ধরে চলে আসছে।
এলাকা বাসী জানান, উপজেলার একটি অংশের মুসল্লিরা শিয়ালকাঠি এই মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদ পালনের বিষয়ে তাদের নিজস্ব বিশ্বাস রয়েছে।
নাজিরপুর প্রতিনিধি প্রান্ত মিস্ত্রি জানান, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর (খেজুরতলা) গ্রামের প্রায় অর্ধশত পরিবার আজ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই রঘুনাথপুর গ্রামের ঘরে ঘরে শুরু হয় উৎসবের আমেজ। সকাল সাড়ে ৭টায় গ্রামের আল-আমিন মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন মো. কামরুজ্জামান।
এসময় মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা গত কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে রোজা রাখা এবং ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করা ওয়াজিব। এই ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই রঘুনাথপুর গ্রামের প্রায় ৫০টি পরিবার দীর্ঘদিনের এই ঐতিহ্য বজায় রেখে আসছে।
এছাড়া জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এ ৬ গ্রামের প্রায় ৭ শতাধিক মানুষ শুক্রবার ইদুল ফিতর উদযাপন করে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial