‘৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’ চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গভীর করেছে
৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকারের দেয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতি অনুদান যা উপস্থাপন করে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার চলমান উত্তরাধীকার বন্ধুত্ব এবং উভয় দেশের জনগণের মধ্যেকার আরও গভীর আবেগের আদান প্রদান।
৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের পিরোজপুরের বেকুটিয়া ফেরিঘাটের নিম্নাংশে অবস্থিত। সামগ্রিকভাবে সেতুটির দৈর্ঘ্য ২.৯৬ কিলোমিটার, যাতে ১.৪৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৩.৪ মিটার প্রস্থ একটি বড় সেতু অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ১.৪৬৭ কিলোমিটার। বর্তমানে সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে সেতুটির সুপার স্ট্রাকচার এর কাজ চলমান রয়েছে এবং সব মিলিয়ে কাজের অগ্রগতি ৮২.৫%। আশা করা হচ্ছে যে সেতুটির নির্মান কাজ আগামী বছরের জুন মাসে সম্পন্ন এবং ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হবে।


৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের মধ্যে স্থল যাতায়াত সংযুক্ত করবে যা এই দুই অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নতি ও সংস্কৃতির বিনিময় এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্য, কৃষি, শিল্প এবং পর্যটন শিল্প উপকৃত হবে।

সেতুর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অন্যতম ফরচিউন গ্লোবাল ৫০০ কোম্পানির আওতায় চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড চায়না রেলওয়ে ১৭ ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড। মহামারী চলাকালীন সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কার্যকরভাবে প্রয়োজনীয় সম্পদ একত্রীকরণ, যুক্তিসংগত পরিকল্পনা এবং পদক্ষেপ প্রণয়ন করেছিল এবং দুই ধাপে মহামারী প্রতিরোধ এবং প্রকৌশল নির্মান অর্জন করেছিল। প্রকল্পের কাজ ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে এবং মহামারীর কারনে কখনো বন্ধ হয়নি।

নির্মানকাজ চলাকালীন প্রক্রিয়ার সময় ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু প্রকল্প আঞ্চলিক সরকার এবং পিরোজপুরের মানুষের কাছ থেকে শক্তিশালী সমর্থন পেয়েছে। অনেক স্থানীয় অধিবাসীরা সক্রিয়ভাবে সেতুর নির্মান কাজে অংশ নিয়েছে এবং প্রকল্পের উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রেখেছে। প্রকল্প এলাকায় সবসময়ই আপনি চীন ও বাংলাদেশের শ্রমিকদের সহযোগীতা, কাজ করা এবং ঘামতে থাকার দৃশ্য দেখতে পাবেন। উভয় দেশের নির্মাতারা যৌথভাবে কাজ করেছেন এবং দেখেছেন ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর আকৃতি। তারা দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করে যে সেতুটি ভবিষ্যতে দুই দেশের মানুষের আবেগকে গভীরভাবে যুক্ত করবে এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যেকার বন্ধুত্ব গভীর থেকে গভীরতর করবে।



