অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ, সমান্তরালে বাংলাদেশ পুলিশ
মুক্তিকামী বাঙালির দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম, ত্যাগ, তিতিক্ষার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা-ধ্যান-জ্ঞান এবং একনিষ্ঠ দৃঢ়তার ফসল আমাদের স্বাধীনতা। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে একটি মাত্র তর্জনীর ইশারায় পাকিস্তান হয় দ্বিখণ্ডিত, আমরা পাই লাল-সবুজের প্রিয় পতাকা।
অবশেষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র, সমস্ত বাধা বিপত্তি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আবার নতুন করে গঠনে কাজ শুরু করেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশের খাদ্য সংকট, অর্থনৈতিক সমস্যা, অবকাঠামোগত ভঙ্গুরতা ইত্যাদি নানা পরিস্থিতি ও প্রতিবন্ধকতা অত্যন্ত দৃঢ়তা এবং ধৈর্য সহকারে মোকাবেলা করে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার পথে যাত্রা শুরু করেন।
বাঙালির অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। বাংলাদেশের মানুষের অগ্রগতির স্বপ্ন থেমে যায় পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। সেদিন ঘাতকরা ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বুক। সঙ্গে বাঙালির সকল স্বপ্ন, আশা ও আকাঙ্ক্ষা। তারপর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ২১ বছরের কঠোর সংগ্রাম, ত্যাগ তিতিক্ষার শেষে ১৯৯৬ সালে জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন করে কাজ শুরু করেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার অর্থনীতি, শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্তের সূচনা করে যা এ দেশের অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপ্রিয় মানুষকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করে। বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ এর সাথে তুলনা করত। কিন্তু শেখ হাসিনা তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে এই দুর্নামটি দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। সাথে বাংলাদেশকে সমালোচকদের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। কিন্তু সেই অগ্রযাত্রা আবার থমকে যায় ২০০১ সালে।
বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে আবার ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয় এবং ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি চতুর্থ মেয়াদে জনগণের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার নেতৃতে গত ১২ বছর অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। শিক্ষা, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, অর্থনীতি, বাণিজ্য, জনশক্তি রফতানি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য সেবা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যুব, ক্রীড়া, নারী উন্নয়ন, মাথাপিছু আয়, মানব সম্পদসহ নানা সূচকে গত এক যুগে বাংলাদেশ দারুণ উন্নতি করেছে। খাদ্য-ঘাটতির দেশ থেকে আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে রূপান্তর হয়েছে কৃষির ব্যাপক উন্নয়নের ফলে। শেখ হাসিনার সাহস ও দৃঢ় মনোবলের কারণে আজ আমরা নিজ অর্থায়নে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো পদ্মা সেতু করতে পারছি। মেট্রোরেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেস সহ বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার যা নগরবাসীকে মুক্তি দেবে যানজটের ধকল থেকে। দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শেখ হাসিনা সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি দেশে ও বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
সরকার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ২০০৯ সালের ২৭টি থেকে গত ১২ বছরে ১১৩ টি বৃদ্ধি করে সর্বমোট ১৪০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা মাত্র ৪,৯৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ (২০০৯) থেকে ২৩,৭৭৭ মেগাওয়াট এ উপনীত করে যা শেখ হাসিনা সরকারের একটি বিস্ময়কর সাফল্য। বিদ্যুতের ঘাটতিকে জয় করেছে বলেই আজ শিল্প ও কৃষির উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।
ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর কোন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। গত ১২ বছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা, ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, মোবাইল মানি ট্রান্সফার, অনলাইনে বিমান-ট্রেন-বাস টিকেট, ই-টেন্ডারিং, ই-পাসপোর্ট, ই-শিক্ষা, ই-স্বাস্থ্য, ই-কৃষি, ই-বাণিজ্য, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন, অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স, অনলাইনে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তথ্য ইত্যাদি নানাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করছে।
শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য সারা বিশ্বে স্বীকৃত। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়েছে, সেইসঙ্গে শিক্ষার্থী ঝরে পড়াও অনেক কমেছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর শতকরা হার ছিল মাত্র ৬১, বর্তমান সরকার তা উন্নীত করেছে শতকরা ৯৭.৭ ভাগে। ২০০৯ থেকে গত ১২ বছরে দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য দেশে অনেকগুলো সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিগুন বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত হয়েছে। বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ ও শিক্ষাবৃত্তি সরকারের ভালো কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। টিকাদান কর্মসূচিতে, কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায় এবং দরিদ্র মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনার সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সারা বিশ্বে অন্যতম রোল মডেল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার, জন্মহার হ্রাস ও গড় আয়ু বৃদ্ধিতে আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য অনেক।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের হতদরিদ্র মানুষের জন্য গত ১২ বছর নানা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছেন। অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুঃস্থ মহিলা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মাতৃকালীন ভাতাসহ সকল ধরনের ভাতার হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার।
কর্মসংস্থান, মাথাপিছু জাতীয় আয় বৃদ্ধি, কৃষিতে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, প্রবাসী শ্রমিকদের উন্নয়ন, শিল্প ও বাণিজ্য খাতে উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায়, মঙ্গা দূরীকরণ ও অতিমারি করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব ও তাঁর সরকারের সাফল্য সর্বজন স্বীকৃত। রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের ধারাটিকে সামান্য বাধাগ্রস্ত করলেও রোহিঙ্গাদের প্রতি আমাদের উদার মানবিক মনোভাব ও তাদের ভাসানচরে আশ্রয় প্রদান বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে সম্মানজনক স্থান করে দিয়েছে।
২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা পৃথিবী যখন বিপর্যস্ত ও দিশেহারা তখন করোনা ভাইরাস থেকে বাংলাদেশের মানুষের জীবন বাঁচাতে, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিভিন্ন সংগঠন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ায়। দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতার পাশাপাশি জীবিকা ও অর্থনীতি বাঁচাতে নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ ও আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ, যার জন্য দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে, ফোর্বস ম্যাগাজিনসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রশংসিত হচ্ছেন শেখ হাসিনা। করোনা মহামারির সময় ২ হাজার ডাক্তার ও ৫ হজার ৫৪ জন নার্স নিয়োগ ছিল শেখ হাসিনার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এই চরম দুঃসময়েও দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য নিয়েছেন সঠিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পবিত্র রক্তের যোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশ পুলিশ। বিগত এক যুগ সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ বৃটিশ ভাবধারা থেকে বেরিয়ে এসে পরণিত হয়েছে জনগণের পুলিশে। পুলিশি সেবা হয়েছে সহজতর, যুগোপযোগী, আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের চাকাকে সচল রেখে বাংলাদেশ পুলিশ নিজেকেও এগিয়ে নিয়েছে সমানতালে।
১২ বছরে পুলিশের উন্নয়ন :
১. বাংলাদেশ পুলিশে ৫০ হাজারের অধিক জনবল বৃদ্ধি করে ২ লক্ষ ১২ হাজারে উন্নীত করণ।
২. পুলিশে নারীদের নিয়োগের হার বৃদ্ধিকরণ।
৩. পুলিশের জন্য সারাদেশে জরাজীর্ণ ভবন ভেঙ্গে আধুনিক ভবন নির্মাণ।
৪. পুলিশের যানবাহন সংকট অনেকাংশে কমেছে।
৫. বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠন-
ক) পিবিআই
খ) এসপিবিএন
গ) নৌ পুলিশ
ঘ) ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ
ঙ) টুরিস্ট পুলিশ
চ) কাউন্টার টেরোরিজম
ছ) এন্টি টেরোরিজম
জ) সোয়াট
৬. পুলিশের জন্য চলমান অত্যাধুনিক অস্ত্র ক্রয় ।
৭. বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ‘‘কমিউনিটি ব্যাংক গঠন”
৮. আধুনিক ও মানসম্পন্ন লজিস্টিকস্ / ইকুইপমেন্ট বরাদ্দকরণ।
৯. পুলিশি সেবাকে সহজীকরণ ও ডিজিটালাইজড করণ-
ক) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
খ) অনলাইন জিডি
গ) সিডিএমএস- ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ঘ) সিআইএমএস- সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ঙ) পিআইএমএস
১০. কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে বিশেষায়িত হাসপাতালে রুপান্তর প্রক্রিয়া চলমান।
১১. পুলিশ এভিয়েশনে যুক্ত হবে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার।
১২. আলাদা মেডিকেল ও এভিয়েশন ইউনিট গঠন প্রক্রিয়া চলমান।
১৩. পুলিশের প্রশিক্ষণকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে নির্দেশ।
নানা ষড়যন্ত্র, বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যদি বর্তমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকে, দুর্নীতি বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্থিতাবস্থা বজায় থাকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশ হবে তাতে সন্দেহ নেই। এ কাজটি একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পক্ষেই করা সম্ভব। বর্তমান উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে নিরলসভাবে কাজ করতে হবে নতুন উদ্যমে। আর এক্ষেত্রে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ পুলিশ হবে যোগ্যতম সহযোদ্ধা।
লেখক : মোহাম্মদ ইব্রাহীম (৩১তম বিসিএস), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মঠবাড়িয়া সার্কেল, পিরোজপুর।
