অটোরিক্সা চালকদের খাদ্য সহায়তা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন ইউএনও
পিরোজপুরে লকডাউন অমান্য করে অটোরিক্সা নিয়ে রাস্তায় আসা চালকদের জরিমানা না করে খাদ্য সহায়তা দিয়ে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার পিরোজপুর পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে এ খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন পিরোজপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির আহমেদ। ইউএনও’র এমন উদ্যোগ আটোচালকসহ স্থানীয়দের মধ্যে বেশ প্রভাব ফেলছে।
দেশের করোনা সংক্রমণের দেশব্যাপী চলমান কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে পিরোজপুর সদর উপজেলার পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু অটোরিক্সা চালক ও রিক্সা চালককে গাড়ি চালাতে দেখা যায়। ওই সব অটো গাড়ি চালকদের গাড়ি চালাতে বন্ধ রাখার জন্য ও লকডাউনে সরকারী বিধিনিষেধ মেনে চলতে উৎসাহিত করতে প্রচারণা চালান ইউএনও বশির আহমেদ। আর এ জন্য তিনি অটো চালকদের প্রত্যেককে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন এবং বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করেন।
শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি দল পৌর এলাকার পাড়েরহাট রোড, রানীপুর, বাসষ্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে শতাধিক অটো চালকদের এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ কুমার দাস। এসময় অটোরিক্সা চালকদের ১০ কেজি করে চাল, এক কেজি করে ডাল, আলু, পিয়াজ, তেল, লবন প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ বলেন, অটোরিক্সা চালকরা পেটের টানে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছে। তাই তাদের প্রথমেই জরিমানা করলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই তাদের বিষয়টি মানবিকভাবে চিন্তা করে তাদের জরিমানা না করে লকডাউন কার্যকর করতে এবং বাড়ি থেকে বের না হওয়ার জন্য তাদের এক সপ্তাহের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
খাদ্য সহায়তা পাওয়া অটোচালকরা বলেন, অটোরিক্সা চালিয়ে করোনা সংক্রমিত হওয়ার ভয় থাকে। কিন্তু পেটের টানে অটোরিক্সা চালাতে রাস্তায় নামি। ইউএনও স্যারের উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা প্রদানে এখন আমরা রাস্তায় নামা থেকে বিরত থাকবো।
