পিরোজপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তির মৃত্যু
পিরোজপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত বেলাল হোসাইন জসিম (৩৮) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম মারা যায় বলে জানান পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল। নিহত জসিম পিরোজপুর সদর উপজেলার ভাইজোড়া এলাকার হারুন-অর-রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
নিহত জসিমের চাচাতো ভাই হাসিবুর রহমান মিল্লাত জানান, গত ১৬ মে রাতে ভাইজোড়া এলাকায় তাকে (মিল্লাত)সহ তার চাচাতো ভাই বেলাল হোসাইন জসিম ও নাসিম হাওলাদারকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে জখম করে ভাইজোড়ার জুয়েল খান, নাইম খান, সোহেল খান, শুভ খান, কামলা খান, দুলাল ফকির, সাইদুল ফকির, জাহিদুল খানসহ কয়েকজন। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এসময় জসিম ও নাসিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষ কিছুটা সুস্থ হলে বেলাল হোসাইন জসিমকে পিরোজপুরে বাড়িতে আনা হয়। গত ২৭ মে জসিম আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে বেলাল হোসাইন জসিম মারা যায়।
হাসিবুর রহমান মিল্লাত আরো জানান, হামলার ঘটনায় নিহত বেলাল হোসাইন জসিমের স্ত্রী পলী বেগম বাদী হয়ে গত ১৮ মে পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নিজাম উদ্দিন জানান, গত ২৭ মে শরীরে অসুস্থতা নিয়ে জসিম হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় মারা যায়।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্টের পরে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে গত ১৬ মে পূর্বের একটি ঘটনায় জসিম আহত হওয়ার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।
