ইন্দুরকানীতে সহকারী অধ্যাপককে হাতুড়ি পেটা
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় চন্ডিপুর কেসি টেকনিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. কাইয়ুম জোমাদ্দারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। বুধবার উপজেলার জোমাদ্দার হাটে প্রকাশ্যে ইউপি সচিব কবিরুল ইসলাম (রোতাপ) এর নেতৃত্বে এ হামলা ও হাতুড়ি পেটা করা হয়। হামলায় গুরুত্বর আহত কাউয়ুম জোমাদ্দারকে উদ্ধার করে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত কাউয়ুম জোমাদ্দার ও স্থানীয়রা জানান, কেসি টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইউনুস শেখ স্বপল শীল হত্যা মামলায় জেলে যাওয়ায় কাইয়ুম জমাদ্দার ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যক্ষের সাথে কবিরুল ইসলাম রোতাপের দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকার সুযোগে কলেজের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নেওয়া ও অধ্যক্ষকে চাকুরিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন পর্যায় রোতাপ অনেক টাকা খরচ করেন। অধ্যক্ষ আবার স্বপদে বহাল থাকায় কাবরুল ইসলাম কলেজের সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় তার কাছে সেই খরচের সুদ মূলে টাকা দাবী করে এবং কৌশলে সহকারী অধ্যাপক কাইয়ুম জমাদ্দারের কাছ থেকে ‘ব্লাংক চেক ও ষ্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়। তাতে বড় অংকের টাকা বসিয়ে তাকে টাকা আদায় করার হুমকি দেয়। এর জের ধরে বুধবার রোতাপ ও অহিদুল তার দলবল নিয়ে বাজারে এসে প্রকাশ্যে হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে সহকারী অধ্যাপককে লাঞ্চিত করে। আহত সহকারী অধ্যাপক কাইয়ুম জোমাদ্দার পিরোজপুর সদরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন আছেন।
কবিরুল ইসলাম রোতাপ পিরোজপুরের দুর্গাপুর ইউনিয়নের সচিব হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। কাইয়ুম জোমাদ্দারের কাছে আমার ছোট ভাই টাকা পাবে, সেই টাকা চাইতে গেলে উভয় মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, চন্ডিপুর কেসি টেকনিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাইয়ুম জোমাদ্দার সাথে টাকা নিয়ে মারামারির কথা শুনেছি। থানায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
