বাগেরহাটে ভাগ্নের লাঠির আঘাতে মামা নিহত
বাগেরহাটের শরণখোলায় পারিবারিক কলহের জেরে দুলাভাই ও ভাগ্নের (বোনের ছেলে) লাটির আঘাতে সবুর শিকদার (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের বাধাল গ্রামের রাধালক্ষী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সবুরের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত সবুর শিকদার বাধাল গ্রামের সামছু শিকদারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলতাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে সবুর শিকদার ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। তখন সবুরের প্রতিবেশী ও দুলাভাই (বোনের স্বামী) আলতাফ শেখ (৪৫) সবুরের বাড়িতে এসে ঝগড়া করছো কেন এই বলে সবুরকে চর থাপ্পর মারে। সবুরও পাল্টা ধাক্কা দেয়। একপর্যায়ে আলতাফ শেখ তার ছেলেকে ফোন করে বলে সবুর আমাকে মেরেছে। আলতাফের ছেলে প্রিন্স ওরফে রনি (২২) মোড়েলগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসেন। রনি ও তার পিতা আবার সবুরের বাড়িতে যায়। তারা দু’জনে মিলে সবুরকে গাবের লাটি দিয়ে মারপিট ও কিলঘুষি মারে। এতে ঘটনাস্থলে সবুর মারা যায়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. কে. আব্দুল্লাহ আল সাঈদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আলতাফ ও তার ছেলে রনি পলাতক রয়েছে।
