ভান্ডারিয়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল ॥ অর্ধশত শিক্ষার্থী বিপাকে
একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদন নিয়ে ভান্ডারিয়ার অর্ধশত শিক্ষার্থীকে নিয়ে টানা- হেঁচড়া চলছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ভান্ডারিয়া আল-গাজ্জালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিপিএম দাখিল মাদ্রাসা, ধাওয়া বাইতুল আমান দাখিল মাদ্রাসা এবং ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী’র অজান্তে অনলাইনে ভর্তির আবেদন করে তাদের বেকায়দায় ফেলেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযাগ দাখিল করেছে।
এদিকে, আল গাযযালি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ মাহমুদের দাবি এ আবেদনের সঙ্গে তার মাদ্রাসার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। বিপিএম দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে ২০১৯ সালের দাখিল পরীক্ষার এমসিকিউ উত্তর প্রশ্নের পরীক্ষার সময় এইসব পরীক্ষার্থীরা দাখিল পরীক্ষার্থী অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ৪টি সেট কোডের পরিবর্তে শুধুমাত্র একটি সেটে কোড ভরাট করে প্রশ্নের উত্তর দেয় এ অনিয়মের বিষয়টি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
এ ব্যাপারে বিপিএম দাখিল মাদ্রাসার সুপার ভান্ডারিয়া-২ কেন্দ্রের সাবেক কেন্দ্র সচিব মো. আমির হোসেন জানান,ন তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তবে সেট কোডের অনিয়মের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নামজুল আলম বলেন এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদš পূর্বক সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এদিকে, ভর্তি জটিলতায় পড়ে ভান্ডারিয়ার ৩টি মাদ্রাসার প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
