তেজদাসকাঠী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুস সোবাহান এর ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন
পৃথিবীতে হয় তো অনেক দানশীল মহৎ ব্যক্তিরা এসেছেন বা আসবেন। তাদের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষকে শিখিয়ে যান কিভাবে মানুষের পাশে মানুষকে দাড়াতে হয়। আর তেমনই একজন ছিলেন পিরোজপুরের কৃতি সন্তান আলহাজ¦ আব্দুস সোবাহান।
কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মৌলুভী সাইজুদ্দীনের বড় ছেলে আব্দুস্ সোবাহান। তিনি দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেও স¦প্ন দেখতেন তার গ্রামের পিছিয়ে পড়া ছেলে-মেয়েদের জন্য একটি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করবেন। তার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কঠোর পরিশ্রম ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আব্দুস সোবাহানের পাঁচ একর জায়গায় ১৯৯৫ সালে নির্মিত হয় তেজদাসকাঠী কলেজ। এলাকাবাসী কলেজটি তার নামে করতে চাইলেও তিনি তাতে অসম্মতি জানান। ২০০০ সালে এপ্রিল মাসে ৭৫ বছর বয়সে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে।
তার ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজ হাতে গড়া তেজদাসকাঠী কলেজ অডিটোরিয়ামে এলাকাবাসী ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দোয়া মাফিল এবং ইফতারের আয়োজন করা হয়।
বিকেল ৫ টায় কলেজের অধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, আব্দুস্ সোবাহানের ছোট ছেলে ও কলেজের শিক্ষক আলমগীর হোসেন, শিক্ষক দিলিপ কুমার মিস্ত্রী, শিউলী খানম, সিদ্দিকা বেগম, রতন কুমার বাছার, মো. বাদশা মিয়া, হাফিজা খানম, মো. আলী আকবর, মাহামুদ মোকারম, শ্যমল কৃষ্ণ সরকার, সুপ্তি রানী মৃধা, সুমন চন্দ্র দাস, দেব জ্যোতি কুন্ডু, সুশান্ত কুমার ভোমিক, লাবন্যসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
