ইন্দুরকানীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ
ইন্দুরকানীতে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে চুরির নাটক সাজিয়ে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে প্রতিপক্ষরা।
স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে উপজেলার চরনী পত্তাশী এলাকায় পত্তাশী ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেনকে বাড়ী যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের হারুন শেখের ছেলে কাইউয়ুম শেখ, নাজমুল শেখ ও তার ৫ জন সহযোগীসহ সুপারী চোর বলে আওয়ামীলীগ নেতাকে পিটিয়ে আটকে রাখে। পরে ইন্দুরকানী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সুপারী চুরির কোন অভিযোগ না পেয়ে পুলিশ গতকাল সোমবার সকালে আলতাফ হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তার বিরুদ্ধে থাকা নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।
হারুন শেখের ছেলে নাজমুল শেখ জানান, আমাদের বাড়ীর সামনে আমাদের কেনা সুপারী রাতে চোরাই চক্র নেওয়ার চেষ্টা কালে আমরা ধাওয়া করি তখন আলতাফ শেখ দৌড়ে পালাচ্ছিলো। তখন তাকে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করি।
আটককৃত আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেনের সাথে ইন্দুরকানী থানায় বসে কথা বললে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং জানান, তিনি রবিবার রাত ১১ টার পর পত্তাশী বাজার থেকে একা বাড়ী ফিরছিলেন। চরনী পত্তাশী গ্রামের হারুন শেখের বাড়ীর কাছাকাছি পৌছলেই পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হারুন শেখের ছেলেরা সুপারী চোর বলে আমার উপর হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আঃ গনি খান জানান, আওয়ামীলীগ নেতা আলতাফ হোসেনকে মিথ্যা চুরির নাটক সাজিয়ে তাকে মারধর করে পুলিশে দেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ইন্দুরকানী থানার এএস, আই লুৎফর রহমান জানান, চুরির ঘটনা মিথ্যা। পরিকল্পিত ভাবে আওয়ামীলীগ নেতাকে পিটিয়ে আটক করে আমাদেরকে খবর দেয়।
উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তোবারক আলী হাওলাদার জানান, মিথ্যা চুরির নাটক সাজিয়ে আলতাফ হোসেনকে প্রতিপক্ষরা পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, চুরির কোন ঘটনা ঘটেনি আটককৃত আলতাপ হোসেনকে একটি নারী নির্যাতন মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
