প্রধান সূচি

প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে

স্বরূপকাঠির সংখ্যালঘু পরিবারের হয়রানির অভিযোগ

স্বরূপকাঠির সেহাংগল গ্রামের আব্দুল মজিদ খান নামের এক প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে এক সংখ্যালঘু পরিবারকে হয়রানি ও তাদের বসত বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পার্শ্ববর্তী জুলুহার গ্রামের নিরঞ্জন মন্ডলের পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে আব্দুল মজিদ খানের সাথে আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে। এরই মধ্যে মজিদ খান গত শনিবার থেকে নিরঞ্জন মন্ডল এর বাড়ির বাগান থেকে লক্ষাধিক টাকা মুল্যের ১৫টি চাম্বল গাছ কেটে নিয়ে গেছেন। নিরঞ্জন মন্ডল ওই গাছ কেটে নেয়ার বিষয় আদালতের সরনাপন্ন হলে বিজ্ঞ বিচারক ঘটনা তদন্ত করতে অ্যাডভোকেট কমিশন প্রেরণ করেন।

শুক্রবার সকালে আইনজীবী সুখরঞ্জন দেউরী নিরঞ্জনের বাড়ির ঘটনাস্থল তদন্ত করে গেছেন।

হতদরিদ্র নিরঞ্জন মন্ডল অভিযোগ করেন তার বাবা কুমুদ বিহারীর কাছ থেকে ১৯৮৯ সালে সেহাংগলের প্রভাবশালী বিএনপি নেতা মজিদ খানের স্ত্রী ফিরোজার নামে ৫৫ শতাংশ জমির দলিল করে নেয়। তারপর ৯৪ সালে নিরঞ্জন মন্ডলের বড় ভাই মনোরঞ্জন মন্ডল নিখোঁজ হন। সে ঘটনায় মনোরঞ্জনের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী বাদী হয়ে মজিদ খানকে আসামী করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মজিদ খান নির্দোষ প্রমানিত হন। তারপর থেকে নিখোঁজ মনোরঞ্জনের নামে থাকা আরও ৫৫ শতাংশ জমির মালিকানা দাবী করে আসছেন মজিদ খান। ৯৪ সালে নিখোঁজ হওয়া মনোরঞ্জ ২০০৫ সালে মজিদ খানকে দলিল করে দিতে পারেন না দাবী করে তার ভাই নিরঞ্জন মন্ডল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১০ সালে দায়ের করা ওই মামলা এখনও বিচারাধীন আছে। মনোরঞ্জ এর সেই ৫৫ শতাংশ জমির দখল পাওয়ার জন্য মজিদ খান নানাভাবে সংখ্যালঘু নিরঞ্জন মন্ডলের পরিবারকে হয়রাণি করে আসছেন ।

জমি জবর দখলের চেষ্টা ও বিচারাধীন মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট জমির গাছ কেটে নেয়ার বিষয় জানতে চাইলে মজিদ খান বলেন মামলা থাকা কোনো জমির গাছ তিনি কাটেননি। নিজের ক্রয় করা জমির গাছ কেটেছেন বলে দাবী করেন আব্দুল মজিদ খান। একই সাথে তাদেরকে হয়রানী করার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন নেতা মজিদ খান।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial