প্রধান সূচি

দেশে স্ত্রী পাওনাদারদের তাগাদায় অতিষ্ঠ

দালালের খপ্পরে পড়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ইয়াহিয়া সৌদি আরবে বিপদাপন্ন

একটি পরিবারকে দেনাগ্রস্ত ও সর্বস্বান্ত করে পরিবার প্রধানকে সৌদি আরবে আটকে রেখে নানা ভাবে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার পিরোজপুর প্রেসক্লাবে পপি বেগম নামে এক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।

পপি বেগম তার দুই শিশু সন্তানসহ তার মানবেতর দিন যাপনের কাহিনী তুলে ধরে সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী ইন্দুরকানি থানার হোগলাবুনিয়া গ্রামের ইয়াহিয়া খান কয়েক মাস আগে চাকুরির আশায় ছয় লাখ টাকা দালালের হাতে তুলে দিয়ে সৌদি আরব যান। দালাল পিরোজপুর শহরতলীর ভাইজোড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান লিমন আগে থেকেই সৌদি আরবে অবস্থান করে ইয়াহিয়াকে সেখানে নিয়ে যান। এর বিনিময় ইয়াহিয়া লিমনকে ছয় লাখ টাকা প্রদান করেন। সেখানে মাসিক ৪০ হাজার টাকা বেতন পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি আরব নিয়ে তাকে শ্রমিক হিসাবে কাজ দেয়া হয়। কিন্তু এ কাজের বিনিময় সামান্য বেতন পাওয়া ইয়াহিয়া ভাল কাজ দেয়ার কথা বললে লিমন তাকে অবৈধ অভিবাসি বলে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেন এবং আরও টাকা চেয়ে মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছেন।

ইয়াহিয়ার স্ত্রী পপি জানান, তার স্বামী রিয়াদে এক পরিচিত লোকের কাছে আশ্রয় নিয়েছে এবং অসুস্থ অবস্থায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। সে দেশে আসতে স্ত্রীর কাছে আরও টাকা পাঠানোর জন্য বার বার ফোন করে তার অসহায়ত্বের কথা জানাচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন এনজিও ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার দেনাগ্রস্ত পপি বেগম পাওনাদারদের তাগাদার মুখে দুই শিশু সন্তান নিয়ে অত্যন্ত দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।

পপি বেগম তার স্বামী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ইয়াহিয়া খানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবী জানিয়েছেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial