চাল, সার ও ক্লিংকার জাহাজের কাজ বন্ধ ব্যাহত হচ্ছে অন্যান্য পণ্য বোঝাই-খালাস কাজ
মোংলা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বলবৎ
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে মোংলা বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বলবৎ থাকায় গতকাল সোমবার সকাল থেকে বন্দরের অবস্থানরত চাল, সার ও ক্লিংকার খালাসের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ব্যাহত হচ্ছে কন্টেইনার, গ্যাস, তেল ও মেশিনারী জাহাজের মালামাল খালাস কাজ।
মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী স্থানীয় শিপিং এজেন্ট আল সাফা শিপিং লাইন্সের সত্ত্বাধিকারী এইচ এম দুলাল বলেন, বর্তমানে মোংলা বন্দরে তার ৩টি চালের জাহাজ অবস্থান করছে। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ওই সকল জাহাজের চাল খালাস কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বৃষ্টিতে কাজ করা সম্ভব নয়, কারণ বৃষ্টির পানি জাহাজ ও লাইটারের (নৌযান) হ্যাচে (অভ্যন্তরে) জমা হয়। এতে জাহাজ ও লাইটারের ড্রাফট বেড়ে যায়। ফলে মালামালের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। যার ফলে ঝড়-বৃষ্টির সময় জাহাজের কাজ বন্ধ রাখা হয়।
এছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্দরের জেটি, কার ও কন্টেইনার ইয়ার্ডের কার্যক্রমও বিঘিœত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দরের হারবার মাষ্টার কমান্ডার মোঃ ওলিউল্লাহ।
বন্দরের হারবার বিভাগ জানিয়েছেন, সোমবার মোংলা বন্দরের জেটি ও পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়ায় ১১টি বিদেশী জাহাজ অবস্থান করছে।
একদিকে লঘুচাপ অন্যদিকে চলতি পূর্ণিমার গোনে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মোংলার বিভিন্ন এলাকায় চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিপাতে শহর ও শহরতলীর নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও বসত ঘর-বাড়ী পানিতে তলিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়ায় এখানকার জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, জলবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর কর্মচারীরা পানি নিষ্কাশনে বিভিন্নস্থানে কাজ শুরু করেছেন।
