আদালতের নির্দেশে ঘটনার ২১ দিন পর
ইন্দুরকানীতে স্কুল ছাত্রের লাশ উত্তোলন
আদালতের নির্দেশে ঘটনার ২১ দিন পর পিরোজপুরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সঞ্জিব দাসের উপস্থিতিতে ইন্দুরকানীতে কবর থেকে স্কুল ছাত্রের লাশ উত্তোলন করেছে খুলনা সদর থানা পুলিশ ও ইন্দুরকানী থানা পুলিশ। খুলনা মেট্রোপলিটন আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলামের নির্দেশে বৃহষ্পতিবার উপজেলার দক্ষিন ভবানীপুর গ্রাম থেকে রমিজুল ইসলামের ছেলে ১০ম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি হাসানের (১৫) লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে লাশটি ময়না তদন্তর জন্য খুলনা সদর থানার এস আই বিপ্লব কান্তি পিরোজপুর মর্গে পাঠায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইন্দুরকানী থানার ওসি নাসির উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মোঃ মনিরুজ্জামান, ইউপি সদস্য মাহমুদুর রহমান সোহেল প্রমুখ।
আদালতে দেয়া স্কুল ছাত্র মেহেদি হাসানের মায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে জানা যায়, গত ০৩ সেপ্টেম্বর খুলনা রূপসা এলাকায় অরিয়েন্টাল ফিস কোম্পানীর সামনে স্কুল ছাত্র মেহেদী হাসানের হাত-পা ভেঙ্গে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে তার স্বজনরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা গ্রীন লিভ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ দিন পর ওই হাসপাতালেই মেহেদি মারা যায়। ১৪ সেপ্টেম্বর তার লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিন ভবানীপুর গস্খামে তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়। নিহত স্কুল ছাত্রের বিষয় খুলনা রূপসা এলাকায় আলোচনা হলে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠলে স্কুল ছাত্রের মা পাপড়ি বেগম গত ২০ সেপ্টেম্বর খুলনা মেট্্েরাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন এবং আদালত শুনানি শেষে ২১ সেপ্টেম্বর ময়না তদন্তের জন্য লাশটি কবর থেকে উত্তোলনের জন্য খুলনা সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার এসআই বিপ্লব কান্তি জানান, আদালতের নির্দেশে স্কুল ছাত্রের লাশটি কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্তের পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
