শতভাগ পাশের পরও কচুয়ায় দু’টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন পায়না
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ২টি রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী ঘোষনা হলেও শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন না। বেতন ভাতা না পেয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন ওই দুই স্কুলের ৮ জন শিক্ষক। জানাগেছে, উপজেলার কচুয়া সদর ইউনিয়নে বারো ফকিরের বটতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাঢ়ীপাড়া ইউনিয়নে পালপাড়া আর এম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ জন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন।
উপজেলার বারো ফকিরের বটতলা রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০২ সালের ৩০ অক্টোবর এবং পালপাড়া আরএম রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০০৭ সালে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয় দুটি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এপর্যন্ত সরকারী নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার মানবজায় রেখে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। টিনের ছাউনি ও কাঠ, বাশেঁর বেড়া সত্বেও এ স্কুল দুটিতে পাশের হার শতভাগ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যায়ল দুটিতে ২২০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। এরপরও বিদ্যালয়টি সরকারী হিসাবে ঘোষনা দেয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিগ্রহন আইন, ১৯৭৪ এর ৩(১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ০১ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখ থেকে সরকারী হিসাবে ঘোষনা দেয়া হয়। সরকারী করনে তিন বছর পার হলেও আজো বেতন পায়নি শিক্ষকরা। ফলে মানুষ গড়ার কারিগর এই শিক্ষকরা নিজেরাই এখন পরিবার পরিজন নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে।
বারো ফকিরের বটতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমাইয়া আক্তার বলেন, সরকারী সকল নিয়ম মেনে আমরা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি, বিদ্যালয়টি সরকারী হলেও আমরা শিক্ষকরা এখনও কোন সরকারী বেতন ভাতা পাইনি।
কচুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামিমা আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয় দুটির আমাদের যা করনীয় তা আমরা করে দিয়েছি। বর্তমানে মন্ত্রনালয়ের বিষয়। সেখান থেকে সমাধান হলে তারা বেতন ভাতা পাবে।
প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে মোঃ নিজামুর রহমান বলেন, এমাসের মধ্যেই শিক্ষক গেজেট চুড়ান্ত করা হবে। ফলে শিক্ষকদের আগামী মাস থেকে বেতনের আর কোন সমস্যা থাকবে না।
