প্রধান সূচি

বাগেরহাটে সবজি ও ফল বাজারজাত বিষয়ক সেমিনার

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

আগামী দুই বছরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিশাঞ্চল ও দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের ১০ জেলার ২৪টি উপজেলার ৫২ হাজার কৃষাণীকে প্রশিক্ষণের মধ্যমে নতুন প্রযুক্তি বা অনুশীলন ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। ফলে ৯ হাজার হেক্টর সবজি ও ফলের এলাকা উন্নত প্রযুক্তি বা ব্যবস্থাপনার অধিনে আসবে। এতে ফসলের ভিত্তিতে প্রতি হেক্টরে ফলন ১ থেকে ১৭ মেট্রিক টন পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। যার কারনে নির্ধারিত কৃষাণীদের সবজি ও ফলের উৎপাদন সাড়ে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন বৃদ্ধি পাবে। যা বর্তমান আয়ের থেকে ৯.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি।

“সবজি উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ” প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটে সবজি ও ফল বাজারজাত বিষয়ক সেমিনারে বক্তারা এই তথ্য জানান।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সোমবার সকালে শহরের দশানী এলাকার একটি অভিজাত হোটেলে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিরচালক কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন।

ওয়ালমার্ট ফাউন্ডেশন ও আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন কেন্দ্র ( আইএফডিসি) এর আয়োজনে বাগেরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার দাসের সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বাজার কর্মকর্তা মোঃ সুজাত হোসেন খান, আইএফডিসির প্রকল্প ব্যবস্থাপক সৈয়দ আফজাল মাহমুদ হোসাইন, জেন্ডার বিশেষজ্ঞ মাহমুদা আক্তার খান, ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচীর প্রোগ্রাম অর্গানাইজার তানিয়া আক্তার, আইএফডিসির ফিল্ড কর্ডিনেটর শরিফুল আলম, মোঃ ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

সেমিনারে বাগেরহাটের অর্ধশতাধিক কৃষাণী ও ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক অংশ গ্রহণ করেন।

সেমিনারে আরো জানানো হয়, কৃষাণীরা প্রশিক্ষিত হলে দক্ষ ভাবে সার ব্যবহারের ফলে ৯৯০ মেট্রিক টনের উপর ইউরিয়া সাশ্রয় হবে যার মূল্য ৪ লাখ মার্কিন ডলার। ফলে বাংলাদেশ সরকারের ভর্তূকী সাশ্রয় হবে ২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial