ইন্দুরকানীতে শিক্ষকের হুমকিতে ছাত্রীর মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ
ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :
ইন্দুরকানীতে এক শিক্ষকের হুমকিতে মাদ্রাসা ছাত্রীর ৩ দিন ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ। অতপর মাদরাসা ছাত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছেন শিক্ষার্থীর অভিভবাবক। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার উত্তর পশ্চিম কলারন আজাহার আলী দাখিল মাদরাসায় ২য় শ্রেণীর ছাত্রী রাইসা আক্তার (৮) এর পিতা মাসুম বিল্লাহ রাজু ঐ মাদরাসার শিক্ষক শওকত হোসাইনের বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় এ জিডি করেন। জিডি নং-১০৬৩, তারিখ ২৯ আগষ্ট ২০১৭।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার উপজেলার উত্তর পশ্চিম কলারন আজাহার আলী দাখিল মাদরাসার বিএসসি সহকারি শিক্ষক শওকত হোসাইন প্রতিদিন বিকালে পার্শ্ববর্তী উত্তর কলারন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারে বসে তার প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ান। প্রাইভেট শুরুর আগে ও পরে ছাত্র-ছাত্রীরা অশালীন ও অশোভন আচরণ করেন।
এমন খবর পেয়ে রাজুর মা লুৎফুন্নেছা মুকুল ঐ শিক্ষককে ছেলে ও মেয়েদের একত্রে প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক শওকত হোসাইন রাজুর মাকে অশালিন ভাষায় গালাগালি করে এবং তার নাতনি মাদ্রাসা ছাতী রাইসা (৮)কে (রাজুর মেয়ে) মাদরাসায় ক্লাশ করতে গেলে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়। এছাড়া ওই শিক্ষকের চাচাতো ভাই হারুন-অর রশিদ মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা রাজুকে মোবাইল ফোনে গালিগালাজ সহ প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর থেকে ভয়ে রাইসা মাদরাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক শওকত হোসেন মানিক জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীর মায়ের সাথে কথারকাটাকাটি হয়েছে। তবে আমি কাউকে হুমকি দেইনি।
ওই মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আঃ ছালাম জানান, ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ করেছে। এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে মঙ্গলবার মৌখিক ভাবে জানিয়েছি।
মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি বিষয়টি মিমাংশার চেষ্টা করছি।
