অদম্য মেধাবীকে সহযোগিতার আহবান
কন্ঠ ডেস্ক :
প্রবাদ আছে ‘জ্ঞান শিক্ষার জন্য প্রয়োজনে সুদূর চীনে যাও।’ আর এ প্রবাদ বাক্যের কথা সত্য হতে চলছে পিরোজপুরের মেধাবী ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস রিমা’র জীবনে !
তবে একথা কি নিজের জীবনে বাস্তবরূপ দিতে পারবে ইজি বাইক চালক পিরোজপুর শহরের শিকারপুর এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ কামরুজ্জামান স্বপনের কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌস রিমা ? কেননা চীনে গিয়ে লেখাপড়ায় কিছুটা বাদ সেধেছে অর্থ।
পিরোজপুর পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট থেকে পাস করার পর চীনের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য বৃত্তিসহ ভর্তির আবেদন করেছিল রিমা। ভাগ্যক্রমে সেখানে পড়ার সুযোগ সে পেয়ে যায়। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্র। বাবা কামরুজ্জামান স্বপন ইজি বাইক চালিয়ে কষ্টে সৃষ্টে কোন রকমে সংসার চালায়। অন্য সন্তানেরাও মেধাবী, তারাও বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে। জান্নাতুল ফেরদৌস রিমা’র চীনে যাওয়ার জন্য প্লেনের টিকিট ও সেখানে থাকা খাওয়ার খরচ বাবদ প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু সে অর্থ তো নেই দরিদ্র পিতার।
গত কয়েক দিন আগে আর্থিক সহযোগিতার জন্য একটি আবেদনসহ স্বপন তার মেয়েকে নিয়ে যান পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সেখ এর কাছে। জেলা প্রশাসক মহোদয় তার কাগজপত্র পরীক্ষা করে সত্যতা পেয়ে তাকে আমরা দশ হাজার টাকার একটি চেক দিয়ে কিছুটা সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু এখনো অনেক টাকার প্রয়োজন রিমার। কীভাবে টাকা যোগাড় হবে এ নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় দিন গুনছে বাবা ও মেয়ে। তবুও দৃঢ় মনোবল রিমা’র, যা তাকে এত বড় স্বপ্ন দেখতে সাহস যুগিয়ে যাচ্ছে।
তাই আসুন দরিদ্র পিতার কন্যা মেধাবী ছাত্রী রিমা’র স্বপ্ন সফল করতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিগণ তার পাশে এসে দাঁড়াই। একদিন তাকে অবলম্বন করে দরিদ্র পরিবারটি স্বাবলম্বী হোক। আমাদের সহযোগিতায় চীনে গিয়ে লেখাপড়া করে পিরোজপুরকে গর্বিত করুক। রিমার সাফল্যে দেশ আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক। যোগাযোগের ঠিকানা ঃ সৈয়দ কামরুজ্জামান স্বপন, মোবাইল নং ০১৭১০৫০৪৭০২।
