প্রধান সূচি

ইন্দুরকানীতে জিংক সম্মৃদ্ধ ধানের বৈশিষ্ট্য ও জিংকের উপকারিতা সম্পর্কে কৃষকদের প্রশিক্ষন

ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :

ইন্দুরকানীতে জিংক সম্মৃদ্ধ ধানের বৈশিষ্ট্য ও জিংকের উপকারিতা সম্পর্কে কৃষকদের প্রশিক্ষন দেয় হয়েছে। রবিবার বিকালে উপজেলার ৩০ নং চরবলেশ্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশের সহযোগীতায় এবং বাস্তবায়ন সংস্থা স্বদেশ উন্নয়ন কেন্দ্র (সুক) এর আয়োজনে এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষনে বক্তব্য রাখেন, ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশ (বরিশাল অঞ্চল) এআরডিও মোঃ জাহিদ হোসেন, ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ রেজাউল করিম, স্বদেশ উন্নয়ন কেন্দ্র (সুক) এর মোঃ সেলিম হোসেন হাওলাদার, স্থানীয় কৃষক বাহাদুর মোল্লা, শাহিন হালাদার (আউয়াল) প্রমুখ।

এতে বালিপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং চরবলেশ্বর ওয়ার্ডের ২৫ জন কৃষক কৃষানীকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়।

প্রশিক্ষনে জিংক সম্মৃদ্ধ ব্রি ধান-৭২’র চাষাবাদ পদ্ধতি ও গুনাগুন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ব্রি ধান-৭২’র জীবনকাল ১২৫-১৩০ দিন। হেক্টর প্রতি এর ফলন ধরা হয়েছে ৫.৭ থেকে ৭.৫ টন। অন্যান্য জাতের চেয়ে হেক্টর প্রতি এর ফলনও দ্বিগুন। প্রতি কেজি চালে জিংক রয়েছে ২২. ৮ মিলিগ্রাম। এ চালটির আকার লম্বা, মোটা এবং এর রং সাদা। এ ধান চাষাবাদে প্রচলিত জাতের চেয়ে কম পরিমানে ইউরিয়া সার লাগে। জিংক সম্মৃদ্ধ ধানের চাল খেলে মানবদেহে জিংকের চাহিদা পুরন হবে। জিংক হচ্ছে একটি খনিজ উপাদান। জিংক সম্মৃদ্ধ চাল খেলে খাদ্যে অরুচি, বেটে ভাব দুর, মেধা বৃদ্ধি, পুস্টির অভাব, গর্ভবতী মায়ের জিংকের অভাব জনিত সমস্য দুর সহ শিশুর রাতকানা, নিউমোনিয়া, ম্যালেরিয়া, পাতলা পায়খানা ও ডায়রিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

উল্লেখ্য, আগে সংস্থাটির উদ্যোগে বালিপাড়া ইউনিয়নের ২৫০ জন কৃষককে চাষের প্রশিক্ষন শেষে বিনামূল্যে ৩ কেজি করে ব্রি ধান-৭২ দেয়া হয়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial