ইন্দুরকানীতে দপ্তরী কাম নৈশ্য প্রহরী নিয়োগে অনিয়মের তদন্ত
ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :
ইন্দুরকানী উপজেলায় ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশ্য প্রহরী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করা হয়েছে। বুধবার উপজেলার প্রশাসনিক হলরুমে ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, নব নিয়োগকৃত দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী, বঞ্চিত প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এ তদন্ত করা হয়।
জানা গেছে, উপমেদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চরনী পত্তাশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী পদে নিয়োগ না পাওয়ার কারণে আক্তারুজ্জামান ও আলামিনের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক তদন্তের জন্য পিরোজপুর পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মোল্লা ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদকে দায়িত্ব দেয়া হয়। অভিযোগকারী সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেকটি পদে প্রায় ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা লেনদেন করে অযোগ্য লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগ বানিজ্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত চলছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মোল্লা ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকিনা বেগম, সহকারী শিক্ষা অফিসার পূরবী রানী দাস, ইন্দুরকানী রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাকটর ইব্রাহিম।
তদন্তের বিষয়ে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নুরুল হুদা জানান, যে কোন ব্যক্তি অভিযোগ করতেই পারেন। আমরা নিয়োগ বোর্ড এর সদস্যবৃন্দ সঠিক কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগে কোন প্রকার অর্থ লেনদেন হয় নি। আমাদের ব্যাপারে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। কোন প্রার্থী যদি তৃতীয় ব্যক্তির সাথে অর্থ লেনদেন করে থাকে তার দায়দায়িত্ব আমাদের না।
