জাতীয় শোক দিবসে জেলা প্রশাসনের কর্মসূচি
ষ্টাফ রিপোর্টার :
“যদি রাত পোহালেই শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই, যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই, তবে বিশ্ব পেত এক মহান নেতা, আামরা ফিরে পেতাম জাতির পিতা।” আগস্টের এই ১৫ তারিখে মেঘের অন্ধকারে ছেয়ে গিয়েছিল রাজধানী ঢাকার ৩২ নম্বর। জাতির জীবনে এক কলঙ্কিত অধ্যায় শুরু হয়েছিল এই দিনে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল বাঙালি ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধু মরেও অমর। বাঙালির হৃদয়ে তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৫ আগষ্ট সূর্যদয়ের সাথে সাথে সরকারী, বেসরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা।
সকাল ৯ টায় শহরের সিও অফিস মোড়ের বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এখান থেকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শোক র্যালী বের হয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হবে।
সকাল ৯-২০ মিনিটে জেলা শিল্পকলা একাডেমী এবং সন্ধ্যা ৭ টায় বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর উপর প্রমান্যচিত্র প্রদর্শন।
সকাল সাড়ে ৯ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এছাড়া দুপুরে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মোনাজাত এবং মন্দিরে প্রার্থনা করা হবে।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ এদিন দোয়া মোনাজাত ও তবারক বিতরণের আয়োজন করেছে। এছাড়া ১৬ আগষ্ট দলীয় উদ্যোগে স্থানীয় টাউন ক্লাব মাঠের স্বাধীনতা মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভার।
এদিকে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জেলার ৭ উপজেলায় জেলা প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।
