কাউখালীর রনিকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রবিউল হাসান রবিন, কাউখালী :
পিরোজপুরের কাউখালীর কৃতি সন্তান মেহেদি রনিকে শ্রেষ্ঠ সম্পাদক (বাপজানের বায়োস্কোপ) ২০১৫ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি বিজয়ী রনির হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ তুলে দেন।
২৫ ক্যাটাগরিতে ৩১ জন শিল্পী ও কলাকুশলীর মধ্যে এ পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমত উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্যসচিব মর্তুজা আহমেদ।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির বিবিএ’র ছাত্র মেহেদী রনি। মিডিয়ার পোকাটা অনেক আগে থেকেই মাথার ভেতর ছিল আর সেই উপলব্ধি থেকেই ঢাকা ফটোগ্রফিক ইনষ্টিটিউট থেকে ক্যামেরার উপর একটি শর্ট কোর্স ও মিডিয়া ষ্টেশন নামে আর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পাদনার কোর্স করেণ। টার্গেট একটাই নাটকের ডিরেক্টার হওয়া। সেই থেকে বিনোদন জগতে পথচলা শুরু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার ২০১৫ শ্রেষ্ঠ সম্পাদকের পদক পাওয়া মেহেদী রনির।
মেহেদী রনি পিরোজপুরের কাউখালীতে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জম্ম গ্রহণ করেন। রনির বাবা কাউখালীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুল হক হিরন। মা সাহিদা হক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পিরোজপুর সাংগঠনিক শাখার সাধারণ সম্পাদক। দুই ভাই বোনের মধ্যে ছোট রনি।
রনি সম্পাদক হিসেবে পথচলা গাজী রাকায়েত এর পরিচালনায় “তারে বিনা” নাটকটির মাধ্যমে। নাটকটি ছিল তার প্রথম সম্পাদনা করা নাটক। এসময় গাজী রাকায়েত এর কাছ থেকে শিখে নেন নাটক সম্পাদনা করার বিভিন্ন কৌশল।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে এ পুরস্কারের প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৫টি ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীকে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫’ দেয়া হয়।
‘বাপজানের বায়োস্কাপ’ ও ‘অনিল বাগচীর একদিন’ যুগ্মভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, ‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’ শ্রেষ্ঠ প্রমাণ্য চলচ্চিত্র, মোঃ রিয়াজুল মওলা রিজু এবং মোরশেদুল ইসলাম যুগ্মভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রধান চরিত্রে শাকিব খান ও মাহফুজ আহমেদ যুগ্মভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং জয়া আহসান শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।
