বাগেরহাটে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু
বাগেরহাট প্রতিনিধি :
বাগেরহাটে সামাজিক বন বিভাগের ফরেস্টার সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে বন বিভাগ। সাম্প্রতি ঘুষ গ্রহণের টাকা ফেরত দিয়ে আলোচনায় আসে ওই কর্মকর্তা। সামাজিক বন বিভাগের এ কর্মকর্তা বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ স্যোসাল ফরেষ্ট্রি নার্সারী টের্নিং সেন্টারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে তিনি খুলনার তেরখাদা উপজেলা সামাজিক বন বিভাগ কার্যালয়ে বদলি হয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি যশোর সামাজিক বন অঞ্চলের বন সংরক্ষকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বনায়ন খাতের টেন্ডার ও কোটেশন আইটেমের মালামাল বুঝে পেয়েছি মর্মে ২০ লাখ ৫০ হাজার বিল প্রদানের জন্য সুপারিশ করেন। কিন্তু বাস্তবে কোন মালামাল পাওয়া যায়নি। শরণখোলা উপজেলায় সামাজিক বনায়নের গাছ বিক্রি করে টাকা জমা দেননি। বাগেরহাট জেলার সোনাতুনিয়া মৌজায় খুলনা-মংলা রেললাইন নির্মান কাজে সামাজিক বন বিভাগের উপকার ভোগীদের বনায়নের গাছের ক্ষতিপূরনের টাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তুলে এখন পর্যন্ত বন বিভাগে জমা দেননি। এছাড়া গাড়ি মেরামতে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতি বদলি হওয়া ফরেস্টার সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তার সময়ে সকল কর্মকান্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
