প্রধান সূচি

পাইকগাছায় মারপিটের ঘটনায় পাল্টা-পাল্টি মামলা

পাইকগাছা প্রতিনিধি :

পাইকগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি মামলা হয়েছে। বুধবার সরল গ্রামের অদ্বৈত বাছাড় বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং বৃহস্পতিবার একই গ্রামের মৃত ফনিন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে ৫ জনের নামে পাইকগাছা থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও মামলা সূত্রে জানাযায়, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সরল গ্রামের ডাঃ নরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে প্রভাষক উজ্জ্বল বিশ্বাস ঘটনার দিন গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন বিশ্বজিৎ এর চায়ের দোকানে বসেছিল। হঠাৎ অতিশ নামে এক স্কুল শিক্ষকের ছেলে দোকানে এসে উজ্জ্বলকে সরে বসতে বলে। এ সময় মোবাইলে জরুরী কাজ করতে থাকায় সে অতিশকে পাশে বসতে বলে। পরে দোকানে উপস্থিত ৪নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের মৃত বিরিঞ্চি লাল বাছাড়ের ছেলে অদ্বৈত বাছাড়, অতিশের বসতে দেওয়া না দেওয়াকে কেন্দ্র করে উজ্জ্বলকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতন্ডা হলে অতিশ উভয়কে শান্ত হতে অনুরোধ করে। উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অদ্বৈত উজ্জ্বলকে কিল-ঘুষি মারে। এতে উজ্জ্বল কমবেশি আহত হয়। পরে অদ্বৈত শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন গনেশের চায়ের দোকানে অবস্থান নেয়। এদিকে উজ্জ্বলকে মারপিটের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উজ্জ্বলের লোকজন এসে গণেশের চায়ের দোকানে অবস্থানরত অদ্বৈতকে মারপিট করে আহত করে। দু’পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ অনেকেই নিরসনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনার একদিন পর অদ্বৈত বাছাড় বাদী হয়ে উজ্জ্বল, অখিল মন্ডল, নরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, গোপাল মন্ডল ও সুকিত বিশ্বাসসহ ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় মামলা করে। এর একদিন পর মৃত ফনিন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে অদ্বৈত বাছাড়, দেবব্রত রায়, প্রদীপ মন্ডল, দেবাশীষ মন্ডল ও গৌরাঙ্গ মন্ডলসহ ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় পাল্টা মামলা করেন।

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারপিট ও পাল্ট-পাল্টির মামলার কারণে দুটি পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এলাকার সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে দুটি পক্ষের সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial