স্বরূপকাঠির পাইলট স্কুলে চলছে প্রশংসাপত্র বাণিজ্য
স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি :
শিক্ষাবোর্ডের কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই স্বরূপকাঠি উপজেলা সদরের পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলছে প্রশংসাপত্র বিনিময়ের বাণিজ্য। এ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছরে এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্রের নামে নেওয়া হচ্ছে দেড়শ টাকা।
ওই বিদ্যালয় থেকে সদ্য এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরা কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আব্যশক প্রশংসাপত্রের জন্য বিদ্যালয়ে দারস্থ হলে বিদ্যালয়টির অফিস থেকে আদায় রশিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী প্রতি ১৫০ টাকা নিয়ে প্রশংসাপত্র দিচ্ছে। বিদ্যালয় থেকে দেওয়া ওই রশিদে বেতনসহ বিভিন্ন ফি’র কথা উল্লেখ থাকলেও প্রশংসাপত্রের কথা উল্লেখ নাই। বিদ্যালয়ের করনিক ভর্তি ফি ও বেতনের ঘরে ওই টাকা উল্লেখ করে দিচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার দত্ত এ ব্যাপারে বলেন, আমরা অনিয়ম কিছু করছিনা। রিসিভ দিয়ে ১৫০ টাকা রেখে প্রশংসাপত্র দিচ্ছি। প্রশংসাপত্র নিতে হলে দেড়শ টাকা দিতে হবে।
পরবর্তীতে সার্টিফিকিটের নেওয়ার জন্য পূনরায় শিক্ষার্থীদের কোন টাকা দিতে হবে কিনা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক উত্তর এড়িয়ে বলেন, রশিদ ছাড়া কোন টাকা পয়সা নেওয়া হবেনা।
এ বিয়য়ে জানতে চাইলে, বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের ডেপুটি কন্ট্্েরালার অরুন কুমার গাইন বলেন, প্রশংসাপত্রের জন্য কোন ফি প্রয়োজন নাই। তবে এজন্য কোন কোন বিদ্যালয় প্রশংসাপত্রের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দশ টাকা, বিশ টাকা নিয়ে থাকে। তবে বোর্ড থেকে এর কোন ‘ফি’ এর কথা বলা নেই। পরবর্তীতে বিষয়টি তিনি বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক আবুল বাশার তালুকদারকে বলতে বলেন। বাকিটা তিনি দেখবেন বলে এ কর্মকর্তা আশ্বস্ত করেন।
বিদ্যালয় পরিদর্শক আবুল বাশার তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে কেহ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্তা নেওয়া হবে।
