স্বরূপকাঠীতে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ৪৩ হাজার টাকার গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ
স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি :
স্বরূপকাঠী উপজেলায় টেন্ডার ছাড়াই ৩৯নং ভাঙ্কুরা-আদাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি বড় আকৃতির রেইনট্রি গাছ কেটে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিদ্যালয়ের সভাপতি শঙ্কর সমদ্দারের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয় মাঠে বালু ফেলে পরিধি বৃদ্ধি করার কথা বলে বিদ্যালয়ের সভাপতি শঙ্কর ও প্রধান শিক্ষিকার লিপিকা রানীর যোগসাজসে গাছ বিক্রি করে ৪৩ হাজার টাকা নিয়েছেন।
বিধিবহিভূতভাবে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার ব্যাপারটা স্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষিকা লিপিকা রানি। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি শঙ্কর সমদ্দার ও কমিটির কয়েকজনে গাছ কাটার আগে তাকে একবার অবগত করেছিল। তবে রেজুলেশন করে অন্যান্য নিয়মকানুনের মধ্যে থেকে গাছ কাটার জন্য তিনি কমিটিকে জানিয়েছিলেন। তবে পরে কি হয়েছে তিনি তা জানেন না বলে দাবী করেন প্রধান শিক্ষিকা লিপিকা রানি।
নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে সরকারী গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের সভাপতি শঙ্কর বলেন, বিদ্যালয়ে মাঠে বালু ফেলে পরিধি বৃদ্ধি করার জন্য দুটি রেইনট্রি গাছ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই টাকা থেকে মাঠে বালু ফেলার জন্য বালুওয়ালাদের ৫ হাজার টাকাও দেয়া হয়েছে। কিন্তু বালু মহল ব্যবসায়ী সমিতির লোকদের মধ্যে একটা ঝামেলা হওয়ায় এখনও মাঠে বালু ফেলা হয়নি। শীঘ্রই কাজ ধরা হবে বলে সভাপতি শঙ্কর জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোৎ আবু সাঈদ বলেন, বিদ্যালয়ের গাছ কাটার ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিলাদার নাহার বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। গত সপ্তাহ খানেক হলো তিনি এ উপজেলায় যোগদান করেছেন। বিদ্যালয়ের গাছ কাটার জন্য নিয়ম-কানুনের ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, প্রথমে গাছ কাটার জন্য আবেদনসহ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন জমা দিতে হবে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে। গাছ বিক্রির জন্য টেন্ডার দিতে হবে।
