প্রধান সূচি

সরবরাহ থাকলেও দাম কমছে না সবজির

শফিকুল ইসলাম জয় :

পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ৪০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না কোন সবজি। দাম বৃদ্ধি থাকায় হাতাশা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এদিকে পবিত্র মাহে রমজানের নেই বেশি দিন। তবে আলুর দাম রয়েছে ১৮ থেকে ২০ টাকার মধ্যে। পিরোজপুরের পৌরসভার বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

আজ রবিবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ছোট বেগুন প্রতি কেজি ৪০ টাকা ও কালো বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মান ভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকায়।

সালাদের উপকরণ শসা মান ভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লেটুস পাতা ২৫ টাকা আটি, লেবু হালি ১২ থেকে ২০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৬০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বৃষ্টির প্রভাব পড়েনি শাকবাজারে। পাট শাক প্রতি আটি বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকায়, লালশাক প্রতি আটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, কলমি শাক ৫ টাকা আটি, পুঁই শাক আটি ২০ টাকা এবং লাউ শাক আটি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে প্রতি কেজি তেলাপোয়া, পাঙ্গাস, সিলভার কার্ফ মাছ ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি কই, বোয়াল, কাজলী এবং টেংরা কিনতে হলে গুনতে হবে ৪০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, বড়-মাঝারি রুই, কাতল বা মৃগেল ২২০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের হালি ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।

বাজারে গরুর মাংসের দাম আকাশচুম্বি। গরীব ও নি¤œবিত্তের লোকজনের ক্রয় ক্ষমতার বাইয়ে চলে গেছে গরুর মাংস। প্রতি কেজি গরুর মাংস এখনও ৫০০ টাকা থেকে মানভেদে ৫৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খাশির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ফার্মের মুরগি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি, ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ও পাকিস্তানি কর্ক প্রতি হালি ৮০০ থেকে ১২শত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial