প্রধান সূচি

সুস্থ হয়ে কলেজে যেতে চায় অনার্সের ছাত্র সারাফাত

ষ্টাফ রিপোর্টার :

দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত পিরোজপুর সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র সারাফাত খান পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরতে চায়। তবে এখানে নির্দয় বাস্তবতা হলো- তার এই ইচ্ছে পূরণ আমার এবং আপনার মানবিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। কেননা, শ্রেণিকক্ষে ফিরতে হলে তাকে প্রথমত দুই পায়ে ভর দিয়ে চলতে হবে, বাঁচতে হবে। এর জন্য তার প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা। যা ব্যয়বহুল। সারাফাতের দরিদ্র অসচ্ছল পিতা সরোয়ার খান সন্তানের এ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে অক্ষম।

দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত ছেলে সারাফাতকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা চান দরিদ্র পিতা-মাতা।

সারাফতের মা ফিরোজা বেগম জানান, পিরোজপুর সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজের গনিত বিভাগের অনার্সের ছাত্র সারাফাত। ২০১৪ সালের মার্চ মাসে সে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুই পায়ে কোন শক্তি পায় না। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারে না। পায়ে ভর দিলে শরীরে জ্বালা-যন্ত্রনা শুরু হয়ে যায়। চিৎকার করতে থাকে তখন যন্ত্রনায়। ছেলের এ যন্ত্রনা মা হয়ে সহ্য করা যায় না। ছেলেকে পিরোজপুরসহ ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। ডাক্তার কিছু ওষুধ দেয়। কিন্তু তারা বলতে পারছে না এটা কি অসুখ।

সারাফাতের পিতা পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার লাহুরী গ্রামের বাসিন্দা সরোয়ার খান জানান, ঢাকায় নিয়ে ডাক্তার দেখানোর পর সেখান থেকে কিছু ক্যালসিয়াম লিখে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমার ছেলের কি হয়েছে তা তারা বলেনি। তারা উন্নত চিকিৎসা করানোর কথা বলে পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনি অশ্রুসজল কন্ঠে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের বলেন, অনার্স পড়–য়া ছেলেটি গত ৪ বছর ধরে বিছানায় পড়ে আছে। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারছেনা। খাওয়া-দাওয়া, বাথরুম করা সবই বিছানায় বসে করছে। ছেলের এই দুরারোগ্য রোগের সিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। তিনি জানা, আমার সাধ্য নেই ছেলের চিকিৎসার জন্য এই টাকা ব্যয় করবো। এজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে ছেলের চিকিৎসার সাহায্যে আবেদন জানান। মোবাইলে যোগাযোগের নম্বর ০১৭৭৭৪৬৯৩৪৭, ০১৬৩৪০২৩৮৬০।

 

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial