প্রধান সূচি

চিতলমারীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত শ্রেণী কক্ষ || চর বড়বাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান

 

প্রদীপ মন্ডল, চিতলমারী :

বাগেরহাটের চিতলমারীতে কাল বৈশাখী ঝড়ে শ্রেণীকক্ষ বিধ্বস্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করাচ্ছেন উপজেলার চর বড়বাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ফলে আকাশে মেঘ করলেই বাধ্য হয়ে ক্লাশ বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় শ্রেণী কক্ষের সংকটের কারণে স্কুলে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি প্রতিকারের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

সরেজমিনে গত বুধবার চর বড়বাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ঝড়ে বিধ্বস্ত শ্রেণী কক্ষের পাশে খোলা আকাশের নিচে পাঠ দান করাচ্ছেন শিক্ষকরা। পূর্ব থেকেই এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অনুপাতে শ্রেণী কক্ষের সংকট ছিল। এরপর গত রবিবারের কাল বৈশাখী ঝড়ে তিন কক্ষের টিনসেড ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার কারণে শ্রেণী কক্ষের চরম সংকট দেখা দেয়। এতে বাধ্য হয়েই শিক্ষার্থীরা খোলা আকাশের নিচে ক্লাশ করছে। এ স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ঝড়ে তছনছ হয়ে যাওয়া ঘরটিতে তাদের বিজ্ঞান এবং ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ক্লাশ হত। বর্তমানে শ্রেণী কক্ষের সংকটের কারণে তারা খোলা আকাশের নিচে ক্লাশ করছে। কিন্তু আকাশে মেঘ দেখলেই তাদের ক্লাশ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তাদের পড়া লেখায় সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রভানন্দ বালা জনান, পূর্ব থেকেই এ স্কুলের শ্রেণী কক্ষের সংকট ছিল। বৈশাখী ঝড়ে তিন কক্ষের টিনসেড ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ায় এ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। দ্রুত বিধ্বস্ত শ্রেণী কক্ষ মেরামত বা নতুন কক্ষ নির্মাণ না করলে স্কুলে অচলাবস্থা বিরাজ করবে। বিষয়টি সমাধানের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রদীপ কুমার ভৌমিক জানান, কাল বৈশাখী ঝড়ে যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

 

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial