প্রধান সূচি

কাউখালীতে কলা চাষে অধিক আগ্রহী কৃষক

রবিউল হাসান রবিন, কাউখালী :

পিরোজপুরের কাউখালীতে চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ জমিতে কলা চাষ হয়েছে। অর্থকরী ফসল কলা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন এ উপজেলার কৃষক। এ উপজেলার কৃষক অর্থকরী ফসল ধান, সুপারী, পান, নারিকেল, আমড়ার পাশাপাশি কলা চাষে ঝুঁকে পড়েছে। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন এ হতদরিদ্র কৃষক। উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় দিন দিন কলা চাষের আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে কৃষকদের। এমনকি এই উপজেলায় উৎপাদিত কলা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রফতানি করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে কলার চাষ করা হয়েছে। কলা একটি লাভজনক ফসল। দিনদিন এই উপজেলায় কলার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কলার চারা রোপণ করার ১১-১৫ মাসের মাথায় কলার গাছে কলা ধরে এবং পাকে। প্রতি বিঘা জমিতে সাড়ে ৩শ’ থেকে ৪শ’ কলার চারা রোপণ করা যায়। প্রতি বিঘা জমিতে কৃষক কলা উদপাদন করে ৫০-৬০ হাজার টাকা আয় করে। প্রতি বিঘা জমিতে উদপাদন খরচ হয় ১৫-২০ হাজার টাকা। একবার কলার চারা রোপণ করলে ৪ বার ফসল পাওয়া যায়। তিন জাতের কলা চাষ করে কৃষক। চার জাতের মধ্যে রয়েছে সাগর, সরবি ও অগ্নি সাগর, কাঠালি। তবে সরবি ও কাঠালি কলার চাহিদা বেশি।

এ ব্যাপারে কৃষক জালাল, কবীর, ফরিদ জানান, কলা একটি লাভজনক ফসল। জমিতে কলা চাষ করলে ওই জমিতে কলাসহ অন্যান্য সাথী ফসলও রোপণ করা সম্ভব। কলা চাষ করে এক বিঘা জমি থেকে উৎপাদন খরচ বাদে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। তাই এই এলাকার কৃষক কলা চাষে ঝুঁকে পড়েছে। এছাড়া তারা আরও জানায়, তাদের উৎপাদিত কলা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রফতানি হচ্ছে।

কাউখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আলী আজিম শরীফ জানান, দিন দিন এই উপজেলায় কলা চাষীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ হিসেবে জানান, কলা চাষে চাষীরা যেমন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে তেমনি কলা একটি পুষ্টিকারী ফসল এবং সব জমিতে কলা চাষ হয়।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial